বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২০ অক্টোবর ২০২০

সংগীত শিল্পীর স্বত্ত্ব সংরক্ষণে বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ


প্রকাশন তারিখ : 2020-10-18

প্রেস রিলিজ

সংগীত শিল্পীর স্বত্ত্ব সংরক্ষণে বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

সংগীত শিল্পীর সৃষ্টি কর্মকে সংরক্ষণ ও স্বত্ত্ব সুরক্ষায় বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের এক ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগের অংশ হিসেবে আজ দেশের কিংবদন্তী কণ্ঠশিল্পী মরহুম আইয়ুব বাচ্চুর সংগীত জীবনের মেধাস্বত্ত্ব সংরক্ষণ ও ডিজিটাল আরকাইভিংয়ের শুভ উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিমন্ত্রী জনাব কে. এম. খালেদ এম.পি।

ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মো: বদরুল আরেফীন, অতিরিক্ত সচিব মিজ সাবিহা পারভীন ও মরহুম আইয়ুব বাচ্চুর কন্যা ফাইরুজ সাফরা আইয়ুব। ওয়েবসাইটটির বর্ণনা এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রেজিস্ট্রার অফ কপিরাইটস জনাব জাফর রাজা চৌধুরী। এ ওয়েবসাইটে থাকছে –

 

  • মরহুম আইয়ুব বাচ্চুর লাইফ প্রোফাইল, তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি ব্যান্ড দল এল. আর. বি- এর ছবিসহ বর্ননা- ডিসকোগ্রাফী।
  • আইয়ুব বাচ্চু এবং এল. আর. বি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য। জীবনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা। 
  • বিভিন্ন কনসার্ট ও ট্যুরের বর্ননা।
  • আইয়ুব বাচ্চু এবং এল. আর. বি- এর গানসমূহের অডিও স্ট্রিমিংয়ের ব্যবস্থা।
  • ওয়েবসাইট থেকে গান ডাউনলোড ও গান ক্রয়ের সুব্যবস্থা।
  • এ বি কিচেন নামক ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে আইয়ুব বাচ্চু এবং এল. আর. বি- এর গানগুলোর আরকাইভিংয়ের ব্যবস্থা।


আপাততঃ এ আরকাইভে মরহুম আইয়ুব বাচ্চুর কপিরাইট রেজিস্ট্রেশনকৃত ২৭২টি  গান থাকছে। তবে ভবিষ্যতে তাঁর সুরারোপিত বা পরিবেশিত অবশিষ্ট গানগুলোর কপিরাইট রেজিস্ট্রেশনের পর এ আরকাইভে Include করা হবে। এছাড়া আইয়ুব বাচ্চুর সেই রুপালী গিটারসহ তাঁর ব্যবহৃত ৫০টিরও বেশি গিটারসমূহের একটি থ্রিডি ডিজিটাল মিউজিয়ামও এখানে যুক্ত হবে।

বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মূলত দুটি উদ্দেশ্যে এ পরিকল্পনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় :

প্রথমত, বাংলাদেশে কপিরাইট অফিসের সৃহৃদ, আপনজন, রক আইকন একজন সৃজনশীল কিংবদন্তী শিল্পীর সারা জীবনের গল্প ও সৃষ্টিকে একটি ফ্রেমে এনে সুরক্ষিত করা এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার তথা সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের পক্ষ থেকে একজন প্রয়াত সংগীত শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন, সম্মান প্রদর্শন ও প্রনতি জানানো।

দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন মাধ্যম বিশেষভাবে ডিজিটাল মাধ্যমে সংগীতের কপিরাইট লংঘনের বিষয়ে সচেতনতা ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা। সংগীত সংশ্লিষ্ট সকলকে নিজ নিজ কর্ম সুরক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা।

গুনী মানুষদেরকে সম্মান জানানো এবং দেশে কপিরাইট আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ নিশ্চিত করার এ উদ্যোগকে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী সাধুবাদ জানান। দেশের আরও জনপ্রিয় সংগীত ব্যক্তিত্ব যদি তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় সহায়তা চান, তবে অনুরূপভাবে তাদেরও সহায়তা দেয়ার জন্য তিনি কপিরাইট অফিসকে অনুরোধ জানান। এছাড়া তিনি কপিরাইট লংঘনের বিষয়ে যে কোন অভিযোগ করা হলে, কপিরাইট টাস্ক ফোর্সের মাধ্যমে এর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান।


Share with :

Facebook Facebook