বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৩rd ফেব্রুয়ারি ২০২২

বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস ও মুড সিংগার এর যৌথ উদ্যোগে ‘সংগীতে মেধাস্বত্বাধিকার: স্ট্রীমিং ও রয়্যালিটি’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন


প্রকাশন তারিখ : 2022-02-23

প্রেস রিলিজ

 

বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস ও মুড সিংগার এর যৌথ উদ্যোগে ‘সংগীতে মেধাস্বত্বাধিকার: স্ট্রীমিং ও রয়্যালিটি’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন। 

 

বিশ্বের ডিজিটাল মাধ্যমে গান শোনার ক্ষেত্রে ইউটিউবসহ কিছু ডিজিটাল মাধ্যম এক বড় ধরণের পরিবর্তন নিয়ে আসে। ফলে গান এখন ক্যাসেট প্লেয়ার, টিভি, রেডিওর স্থলে ইউটিউব এর মত বিভিন্ন অ্যাপভিত্তিক ডিজিটাল মাধ্যম গান শোনার প্রধান মাধ্যম হয়ে দাড়িয়েছে। এ কারনে গান শোনার বাণিজ্যিক মাধ্যম মূলত এখন ডিজিটাল প্লাটফর্ম। কিন্তু প্রযুক্তিগতভাবে পিছিয়ে থাকায় এবং এ সম্পর্কিত সুস্পষ্ট ধারণা না থাকায় বাংলাদেশের প্রায় সর্বস্তরের সংগীত সংশ্লিষ্ট স্বত্তাধিকারীগণ নিজ নিজ প্রাপ্য  রয়্যালিটি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এছাড়াও ইউটিউব, ফেসবুক, স্পটিফাই এর মত শক্তিশালী ডিজিটাল মাধ্যমের স্থানীয় প্রতিনিধি কিংবা বাংলাদেশের কোন অফিস না থাকায় দেশ-বিদেশ থেকে বিভিন্নভাবে দেশের সংগীত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ রয়্যালটি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বঞ্চনার স্বাীকার হচ্ছেন। তবে এ ডিজিটাল যুগে বাংলাদেশে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অগ্রসর এবং সংগীতের ক্ষেত্রে আগ্রহী কতিপয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশী গানের প্রচার ও প্রসারে এগিয়ে এসেছে। যার মধ্যে স্বাধীন মিউজিক, ইমাজিন রেডিও এবং মুড সিংগার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

 

আজ মুড সিংগার নিজেদের অ্যাপের বিভিন্ন কলা-কৌশল বা ব্যবহার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সেমিনারে উপস্থাপন করেন। বস্তুত:পক্ষে সংগীতের যে কোন স্বত্বাধিকারী তাদের গান এই অ্যাপের মাধ্যমে সম্প্রচার করতে পারবে এবং শ্রোতাদের সংখ্যার ভিত্তিতে নিজ নিজ রয়্যালিটিও প্রাপ্য হবেন। অন্যান্য বিদেশী অ্যাপের মত গান শোনার এনালেটিকস বা হিসাব বিবরণীও নির্দিষ্ট মেয়াদের ভিত্তিতে ই-মেইলযোগে সংশ্লিষ্ট স্বত্বাধিকারীর নিকট পৌছে যাবে। যা পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে স্বত্বাধিকারী দেখতেও পাবে। এছাড়া শ্রোতারা কতো সময়, কোন স্থান থেকে শুনলেন এ তথ্যও দেখা যাবে। এ অ্যাপের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে - মন খারাপ কিংবা কষ্ট বা আনন্দের সময় ঐ নির্দিষ্ট মুডের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট গানের তালিকা স্ক্রীনে ভেসে আসবে। শ্রোতা তখন তার নিজ মুডের ভিত্তিতে নিজের পছন্দের গানটি শুনতে পারবে। অ্যাপটি তৈরি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যপক জনাব মুশতাক। এই অ্যাপটির মাধ্যমে দেশের সংগীত জগতে একটি নতুন ধারার সূচনা হবে মর্মে সভায় উপস্থিত বক্তাগণ অভিমত প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের রেজিস্ট্রার অফ কপিরাইটস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কপিরাইট বোর্ডের চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মিজ সাবিহা পারভীন। রক্তব্য রাখেন সাবেক তথ্য কমিশনার প্রফেসর ড: খুরশীদা বেগম সাঈদ, কন্ঠশিল্পী আলম আরা মিনু, লোক সংগীত শিল্পী আবু বকর সিদ্দিকসহ আরও অনেকে।

 


Share with :

Facebook Facebook